দশকিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সমাজসেবক বাদশা ফকির।।
প্রবাস জীবন শেষে মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় । টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব মোঃ বাদশা ফকির। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে সততা, পরিশ্রম ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় তিনি ইতোমধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। স্থানীয় সাধারণ মানুষ, যুব সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতাকর্মীদের মাঝেও তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে থাকাকালীন সময়েও তিনি নিজ এলাকার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা সহযোগিতা, খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষকতা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অবদান রাখায় এলাকাবাসীর কাছে একজন মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। স্থানীয় টেম্পু চালক মিন্টু বলেন,
“বাদশা ভাই মানুষের জন্য কাজ করেন। গরিব-দুঃখী মানুষকে সহযোগিতা করেন। আমরা চাই এমন ভালো মানুষই চেয়ারম্যান হোক।”
এদিকে ইউনিয়নের কয়েকজন বিএনপির কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও বাদশা ফকির একজন উদার মনের ও দানশীল ব্যক্তি হিসেবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তারা বলেন,
“বাদশা মিয়া মনের দিক থেকে অনেক বড় মানুষ। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান। এমন দানশীল ও মানবিক মানুষই আমাদের চেয়ারম্যান হওয়া উচিত।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে জনগণের সেবায় নিবেদিত, সৎ ও মানবিক নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। সেই জায়গা থেকে বাদশা ফকিরের মতো সমাজসেবী ব্যক্তিত্ব ইউনিয়নের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও অনেকে আশা প্রকাশ করেছেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ বাদশা ফকির বলেন,
“আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেছি। জীবনের বড় একটি সময় কষ্ট করে কাটিয়েছি। এখন আমার একটাই লক্ষ্য—নিজ এলাকার মানুষের জন্য কাজ করা। আমি চাই দশকিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে। শিক্ষা, খেলাধুলা ও মানবিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে চাই। এজন্য আমি সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।”তিনি আরও বলেন,
“চেয়ারম্যান হওয়া আমার কাছে শুধু একটি পদ নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই।”
এলাকাবাসীর ধারণা, মানবিক গুণাবলী, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাদশা ফকির শক্ত অবস্থানে থাকবেন।