অপপ্রচারের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিলেন চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে সিলেটের জৈন্তাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ১নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইন্তাজ আলী।
রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, বিষয়টি জানা যায়। জিডিতে ইন্তাজ আলী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষ তার সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, রাত ১০টার পর থেকে কয়েকটি ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য, তথ্য ও পোস্ট ছড়ানো হয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।
জিডির তথ্য অনুযায়ী, সেখানে এম এইচ সালিম, উজ্জ্বল আহমেদ, আনামুল হক, কবির আহমেদ ও ফখরুল ইসলাম নামে ব্যবহৃত কয়েকটি ফেসবুক প্রোফাইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি পোস্টের লিংকও জিডিতে সংযুক্ত বা উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে উল্লেখিত নামগুলো সংশ্লিষ্ট ফেসবুক প্রোফাইলের প্রদর্শিত নাম হিসেবে জিডিতে এসেছে। এসব প্রোফাইল প্রকৃতপক্ষে কারা পরিচালনা করেন কিংবা জিডিতে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তদন্তসাপেক্ষ।
ইন্তাজ আলীর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রোফাইলগুলো থেকে প্রকাশিত কিছু তথ্য ও মন্তব্য মিথ্যা ও মানহানিকর এবং সেগুলো তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের সম্মান ও সামাজিক অবস্থান রক্ষায় তিনি বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ফেসবুক প্রোফাইলগুলোর প্রকৃত ব্যবহারকারী শনাক্ত এবং অভিযোগের বিষয়বস্তু যাচাই করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী।
জৈন্তাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত ও যাচাইয়ের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ প্রতিবেদন তৈরির সময় জিডিতে উল্লেখিত ফেসবুক প্রোফাইলগুলোর ব্যবহারকারী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলীর উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্ট প্রোফাইলগুলোর প্রকৃত পরিচয় এবং কোনো ব্যক্তির দায় রয়েছে কি না-এসব বিষয় যথাযথ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।